Near Death Experience: মৃত্যুর পর কি ঘটে এই প্রশ্ন মানুষ সমাজকে যুগ যুগ ধরে ভাবিয়ে তুলেছে। অনেক ধর্মগ্রন্থে মৃত্যুর পর জগতের কথা বলা হলেও বাস্তবে কেউ ফিরে এসে তা বর্ণনা করতে পারেনি। তবে সম্প্রতি এক তরুণীর দাবি ঘিরে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে। তার কথায় তিনি 17 মিনিটের জন্য চিকিৎসকের মতে মৃত ছিলেন এবং সেই সময় তিনি স্বর্গের এক অদ্ভুত অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হন।
ঘটনাটি ঘটেছিল জিমে ব্যায়াম করার সময়। স্পন্দন বন্ধ হয়েছে এবং তিনি অজ্ঞান হয়ে পড়েন। পরিস্থিতি এতটাই গুরুতরক হয়ে উঠেছে চিকিৎসকেরা পড়ে জানান, প্রায় ১৭ মিনিট হৃদযন্ত্র বন্ধ ছিল। চিকিৎসক দ্রুত চেষ্টায় অবশেষে আবার তার রেপ স্পন্দন ফিরে আসে। পরে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় এবং কয়েকদিন চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাখা হয়।
তবে এই ঘটনার পর সামনে আসে তার চমকপ্রদ অভিজ্ঞতার কথা। তরুণীর দাবি ওই সময় তিনি যেন নিজের শরীরের বাইরে চলে গিয়েছিলেন। তিনি অনুভব করেছিলেন সে তিনি ছাদের কাছে ভেসে রয়েছেন এবং নিচে তার নিথর দেহ দেখতে পাচ্ছেন। এমনকি আশেপাশে চিকিৎসক ও অন্যান্য মানুষের উপস্থিতি অতিমী দেখতে পাচ্ছিলেন বলে দাবি করেন। তরুণীর কথায় সে সময় তার চারপাশে এক অদ্ভুত শান্তি এবং আলো অনুভূত হচ্ছিল। তিনি বলেন পৃথিবীর বাস্তবতা তুলনায় সে অভিজ্ঞতা ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন। তার মনে হচ্ছিল যেন তিনি অন্য এক জগতে পৌঁছে গেছেন যেখানে ভয় বা উদ্বেগের কোন অস্তিত্ব নেই।
আরও পড়ুন: রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয় ভাষা ও সংস্কৃতি বিষয়ে রিসোর্স পার্সেন্ট নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি
এই অভিজ্ঞতা বিজ্ঞানীদের কাছে নতুন নয়। চিকিৎসা বিজ্ঞানে এদিকে অনেক সময় নিয়ার ডেথ এক্সপেরিয়েন্স বা মৃত্যুর কাছাকাছি অভি কথা বলা হয়। অনেক মানুষ এই সিলেট যন্ত্র বন্ধ হয়ে যাওয়ার মত পরিস্থিতি থেকে ফিরে এসে এমন অভিজ্ঞতার কথা বলেছেন। কেউ বলেন, তারা উজ্জ্বল আলো দেখেছেন, কেউ আবার দাবি করেন সে তারা নিজেদের শরীর বাইরে থেকে দেখেছেন।
তবে বিজ্ঞানীরা এ নিয়ে ভিন্ন ব্যাখ্যাও দিয়েছেন। তাদের মতে মস্তিষ্কের অক্সিজেনের অভাব তীব্র মানসিক চাপ বা স্নায়ুতন্ত্রের বিশেষ প্রতিক্রিয়ার কারণে এমন অনুভূতি হতে পারে। ফলে এটিকে অপ্রাকৃতিক ঘটনা হিসেবে দেখার আগে বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা ও বিবেচনা করা জরুরী।
যাইহোক, ওই তরুণীর অভিজ্ঞতা আবারও মৃত্যুর পরের রহস্য নিয়ে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। সত্যি কি মৃত্যুর পর অন্য কোন জগৎ রয়েছে, নাকি সবটাই মানুষের মস্তিষ্কে সৃষ্টি এই প্রশ্নের উত্তর আজও অজানা তবে তার এই অভিজ্ঞতার গল্প ইতিমধ্যে সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক আলোড়নের সৃষ্টি করেছে।








