Weight loss: ওজন কমানোর জন্য প্রোটিন খাওয়া অত্যন্ত কার্যকর কিন্তু শুধু প্রোটিন খেলে ওজন হঠাৎ কমবে এমন কোন জাদুকরি সময় নেই যেটা খেলে এ বিশেষ ফল পাওয়া যায়। বরং পুষ্টি বিজ্ঞানীরা সুপারিশ করছেন সারা দিনে ঠিকভাবে প্রোটিন গ্রহণ করা ঠিক পরিমাণে এবং সঠিক সময়ে খেলে তা ওজন কমাতে সাহায্য করে।
প্রোটিন কেন জরুরী?
প্রোটিন শরীরের বেশি গঠনের সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা গঠন করে। ওজন কমানোর সময় শরীরে যখন ক্যালোরি কম পায় তখন প্রোটিন শরীরকে শক্ত রাখে এবং মেটাবলিজম বা বিপাকের হাড় বাড়ায়। আরেকটি গুণ হলো প্রোটিন হজম হতে বেশি শক্তি লাগে এবং খাবার পর দীর্ঘক্ষণ পেট ভর্তি অনুভূত হয়। কাল অতিরিক্ত খাওয়ার ইচ্ছে কমে যায় যেটা ওজন কমানোর জন্য খুব জরুরী।
কবে প্রোটিন খাবেন? সেই সময় গুলো
প্রাতঃরাশে প্রোটিন খাওয়া
দিনের প্রথম খাবারে ঠিক পর্যাপ্ত প্রোটিন থাকলে রক্তে শর্করার মাত্রা স্থিতিশীল থাকে এবং ঘেরলিন নামে ক্ষুধা বাড়ানোর হরমোন নিঃসৃত কম হয়। এর ফলে দিনের বাকি সময় অতিরিক্ত খাওয়া থেকে বিরত থাকা সহজ হয়।
ব্যায়ামের পর: আ্য নাবলিক উইন্ডো
যখন আপনি ব্যায়াম করেন পেশির তন্তুগুলোতে ক্ষুদ্র ক্ষতি হয়। ব্যায়াম শেষ করা ৩০ থেকে ৪০ মিনিটের মধ্যে প্রোটিন খেলে পেশির মেরামত ও পুনর্গঠনে তা সাহায্য করে। এই সময়টিকে পুষ্টি বিশেষজ্ঞরা অ্যানা বলিক উইন্ডো বলেও অভিহিত করেন।
প্রতিটি বড় খাবারে প্রোটিন
প্রতিবার খুব বড় করে প্রোটিন খাওয়ার চেয়ে দুপুরে বাড়াতে খাবারের সঙ্গে অল্প অল্প করে প্রোটিন খাওয়া ভালো। কারণ শরীর একেবারে খুব বেশি শোষণ করতে পারে না। প্রতিটা মিলে প্রায় কুড়ি থেকে ত্রিশ গ্রাম প্রোটিন থাকলে পিসির সারাদিন পুষ্টি পায় এবং বিপাকের হার ভালো থাকে।
ঘুমানোর আগে ছোট্ট প্রোটিন সাপ্লিমেন্ট
যদি আপনি ভারী ব্যায়াম করেন তাহলে রাতে ঘুমানোর আগে সামান্য প্রোটিন যেমন এক গ্লাস দুধ বা কিছু ছানা খাওয়া যেতে পারে। এতে রাতের ঘুমের সময় শরীর পেশে মেরামতে কাজ চালিয়ে যেতে পারে।
প্রোটিন কখন বেশি উপকার দেয়?
পুষ্টিবিদদের মতে, শুধু একটি নির্দিষ্ট সময় প্রোটিন খাওয়া যথেষ্ট নয় বরং সারাদিনের মিলে প্রোটিন রাখা এবং তার নিয়মিত খাওয়ার অভ্যাস তৈরি করলে ফল ভালো হয়। সকাল-দুপুর,বিকেল কিংবা রাত প্রতিটি মিলেই প্রোটিন থাকলে তার শরীরকে শক্ত রাখে ক্ষুধা কমা এবং ওজন কমানো সহজ করে।
আরও পড়ুন: সকাল বেলার রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে রাখুন পাঁচটি সহজ অভ্যাস
এছাড়া প্রোটিনের সঠিক উৎস ও গুরুত্বপূর্ণ। মাছ, মাংস, জাতীয় খাবার ডাল, সয়াবিন, বাদাম ইত্যাদি ভালো প্রোটিনের উৎস শুধুমাত্র প্রোটিন পাউডার বা সাপ্লিমেন্ট ফর্সা না রেখে সুষম খাদ্যভাস বজায় রাখায় উত্তম।
টিপস
- প্রতিদিন এর মোট ক্যালরির ২৫ থেকে ৩০ শতাংশ পুষ্টিকর প্রোটিন থেকে নিন
- পুষ্টিবিদদের সাহায্যে নিয়ে প্রতিদিন আপনার ওজন ও কার্যকলাপ অনুযায়ী প্রোটিনের পরিমাণ নির্ধারণ করুন
- খুব বেশি প্রোটিন খাবার শরীরের অন্য পুষ্টি ভারসাম্যকে ভেঙে দিতে পারে তাই সব খাবারকে সুষম রাখায় উত্তম।
ওজন কমাতে প্রোটিনের উপকার অপরিহার্য কিন্তু সঠিক সময় নির্দিষ্ট নিয়ম এ প্রোটিন খেলে তা আরো বেশি কার্যকর হয়। প্রাতঃরাশ, ব্যায়ামের পর এবং প্রতিটি বড় খাদ্যে প্রোটিন থাকা উচিত এভাবেই শরীরে বিপাক ও কৃষিতে সহায়তা করতে পারে এবং ওজন কমাতে দ্রুততার সঙ্গে সহায়তা করে।।
Please Visit – trendypavilion.com











