PM Vishwakarma Yojana হলো কেন্দ্র সরকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প যা লক্ষ্য ও দেশের ঐতিহ্যবাহী কারিগর এবং শিল্পীদের আর্থিক ও দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে স্বনির্ভর করে তোলা।
এই প্রকল্পটি 17 সেপ্টেম্বর ২০২৩ সালে প্রধানমন্ত্রী Narendra Modi চালু করেন। এর মূল উদ্দেশ্য হলো যেসব মানুষের হাতের কাজ বা ঐতিহ্যবাহী পেশার সঙ্গে যারা যুক্ত যেমন মিস্ত্রী, লোহার কাজ, স্বর্ণকার, দর্জি,মুচি, কোমর নাপিত প্রভৃতি তাদের সহায়তা করা।
প্রকল্পের উদ্দেশ্য
এই যোজনার মাধ্যমে সরকার চাই-
- ঐতিহ্যবাহী পোশাকে আধুনিক প্রযুক্তির সঙ্গে যুক্ত করতে
- কারিগরের আয় বাড়াতে
- ছোট ব্যবসাকে শক্তিশালী করতে
- দেশে হস্তশিল্প সংস্কৃতি রক্ষা করতে
কারা সুবিধা পাবেন
এই টিমে মোট আঠারো ধরনের পেশার মানুষ অন্তর্ভুক্ত যেমন কার্পেন্টার, ব্ল্যাক স্মিথ, সোনার কারিগর, মুচি, দর্জি, নাপিত, মাটির কাজ করা কারিগর ইত্যাদি।
কি কি সুবিধা দেওয়া হয়?
PM Vishwakarma Yojana এর অধীনে একাধিক সুবিধা দেওয়া হয়-
- প্রশিক্ষণ-প্রাথমিক ও উন্নত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা থাকে যেখানে প্রশিক্ষণ চলাকালীন প্রতিদিন ভাতা দেওয়া হয়
- টুলকিট সহায়তা-কারিগরদের কাজের জন্য আধুনিক সরঞ্জাম কেনার জন্য প্রায় ১৫ হাজার টাকা পর্যন্ত সহায়তা।
- ঋণ সুবিধা প্রথম ধাপে ১ লাখ টাকা দ্বিতীয় ধাপের দু লাখ টাকা। এই ঋণ জামানত ছাড়াই কম সুদে দেওয়া হয়
- ডিজিটাল লেনদেন প্রণোদনা: ডিজিটাল পেমেন্ট করলে অতিরিক্ত প্রণোদনা দেওয়া হয়।
- মার্কেটিং সহায়তা: পন্য বিক্রির জন্য ব্র্যান্ডিং ই-কমার্স প্লাটফর্মে যুক্ত করা প্রচার ইত্যাদি সুবিধা দেওয়া হয়।
আরও পড়ুন: বাড়ছে ফিটনেস ট্রেনার এর চাহিদা, কিভাবে গড়ে তুলবেন এই পেশায় ক্যারিয়ার?
বাজেট ও প্রভাব
এই প্রকল্পের মোট বাজেট প্রায় ১৩ হাজার কোটি টাকা। ইতিমধ্যেই লক্ষ লক্ষ কারিগর এতে যুক্ত হয়েছেন এবং অনেকে প্রশিক্ষণ ও ঋণের সুবিধা পেয়েছেন।
PM Vishwakarma Yojana মূলত দেশের ঐতিহ্যবাহী দক্ষতাকে নতুন সুযোগের সঙ্গে যুক্ত করার একটি বড় উদ্যোগ। এটি শুধু আর্থিক সাহায্য ই নয় বরং প্রশিক্ষণ প্রযুক্তি এবং বাজারে সুযোগ দিয়ে কারিগরদের জীবনযাত্রা উন্নত করতে সাহায্য করে।








