Hormuz Strait Oil Tanker Toll India Iran: পশ্চিম এশিয়ায় ক্রমবর্ধমান ভূ রাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যে ভারতকে আসস্ত করল ইরান। কৌশল কতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী দিয়ে যাতায়াত করা ভারতীয় তেল ও গ্যাস বাকি ট্যাংকারের ওপর কোন ধরনের টোল বা অতিরিক্ত চার্জ আরোপ করা হয়নি বলে স্পষ্ট জানার তেহেরান।
ভারতে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত ইরাজ ইলাহী এক সাংবাদিক বৈঠকে এ বিষয়ে সম্পূর্ণ জল্পনা উড়িয়ে দেন। তিনি জানান ভারতীয় জাহাজের চলাচলে কোন বাধা নেই এবং কর্মজ প্রণালী দিয়ে ভারতীয় ট্যাঙ্কার গুলি স্বাভাবিক ভাবেই যাতায়াত করছে। এ বিষয়ে যদি কোন সন্দেহ থাকে তাহলে ভারত সরকারই তা যাচাই করতে পারে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের তরফে অভিযোগ করা হয়েছিল, ইরান নাকি হরমুজ পড়লে দিয়ে যাওয়া জাহাজ গুলির কাছ থেকে টোল আদায় করছে। এমনকি এই পদক্ষেপ কে জোরপূর্বক অর্থ আদায় বলেও দাবি করা হয়। তবে ইরান অভিযোগ সম্পন্ন অস্বীকার করেছে। ভারত স্পষ্ট জানিয়েছে এই ধরনের কোন তোল বা চার্জ নিয়ে তাদের সঙ্গে ইরানের কোন আলোচনা হয়নি।
বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক পথ হরমুজ প্রণালী। বিশ্বের মোট তেলের প্রায় এক পঞ্চমাংশ এই পথ দিয়ে পরিবাহিত হয়। ভারতের ক্ষেত্রে এই নির্ভরতা আরো বেশি কারণ দেশের একটি বড় সংখ্যক অপরিশোধিত তেল এবং এলপিজি আমদানি এই প্রণালী দিয়েই আসে। ফলে এই রুটে কোন সমস্যা বা অতিরিক্ত খরচ ভারতের জ্বালানি নিরাপত্তা ও অর্থনীতির উপর বড় প্রভাব ফেলতে পারে।
এই পরিস্থিতিতে ইমরানের আশ্বাস ভারতের জন্য স্বস্তির খবর। রাষ্ট্রদূত আরো বলেন ভারত ইরানের কাছে একটি বিশ্বস্ত ও সহানুভূতিশীল অংশীদার। দুই দেশের মধ্যে ঐতিহাসিক সম্পর্ক রয়েছে এবং কঠিন সময়ও সেই সম্পর্ক বজায় থাকবে বলে তিনি আশাবাদী।
অন্যদিকে ইরান আমেরিকা এবং ইজরায়েলের মধ্যে চলমান উত্তেজনার কারণে গোতা অঞ্চলে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। সাময়িক তৎপরতা বৃদ্ধি এবং কূটনৈতিক টানাপোড়নের ফলে হরমুজ প্রণালী নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। এই পরিস্থিতিতে এই গ্রাম জানিয়েছে তারা আন্তর্জাতিক জাহাজ চলাচল সুরক্ষিত রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছে।
ইরান আরও স্পষ্ট করে দিয়েছে বন্ধুত্বপূর্ণ দেশগুলির জন্য তারা সব সময় নিরাপদ এবং অবাধ নওচলাচল নিশ্চিত করতে চাই। ভারতের মতো গুরুত্বপূর্ণ অংশীদারের ক্ষেত্রে এই নীতি আরও দীর্ঘ ভাবে পালন করা হবে বলে জানানো হয়েছে।
ভারত বরাবরই আন্তর্জাতিক জলপথে আবাদ বাণিজ্য এবং শান্তিপূর্ণ পরিবেশের পক্ষে। কেন্দ্রীয় সরকার পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছে এবং প্রয়োজনে কূটনৈতিক স্তরে পদক্ষেপ নিচ্ছে জাতের জ্বালানি সরবরাহে কোন বাধা না আসে।
সব মিলিয়ে পশ্চিম এশিয়ার উত্তেজনা পূর্ণ পরিস্থিতির মধ্যে ইরানের এই বার্তা ভারতের জন্য বড় স্বস্তি এনে দিয়েছে। তবে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি কোন দিকে মন নাই তা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে নজরদারি অব্যাহত রয়েছে।











