WB Yuva Sathi Scheme Online Apply : পশ্চিমবঙ্গ সরকারের তরফে ঘোষণা করা হলো, রাজ্যের যুবকদের জন্য চালু হতে চলেছে এর ‘যুব সাথী’। প্রকল্পের শুধু শিবিরে গিয়ে নয় অনলাইনে আবেদন করারও সুযোগ রয়েছে। নবান্ন সূত্রে সম্প্রতি জানানো হয়েছে, অফলাইন শিবিরের পাশাপাশি সরকারি পোর্টালের মাধ্যমে অনলাইনে ফরম পূরণের আবেদন করা যাবে যাতে আরো অনেকের কাছে এই সুযোগ পৌঁছতে সহজ হয়।
এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য হলো রাজ্যের শিক্ষিত বেকার যুবক-যুবতীদের আর্থিক সহায়তা প্রদান করা, যাতে চাকরি বা প্রশিক্ষণ খোঁজার সময় আর্থিক চাপ কিছুটা কমে। প্রত্যেক যোগ্য প্রার্থীকে মাসে পনেরশো টাকা হিসেবে সরকার সহায়তা দেবে, যা সরাসরি তাদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টের স্থানান্তর করা হবে। অর্থাৎ এটি একটি বেকার ভাতার মতো ব্যবহৃত হলেও সরকারি নামটি যুব সঠিক প্রকল্প।
প্রকল্পের অনলাইন আবেদন করার সরকারি টোটাল হিসেবে দুটি সাইট খোলা হয়েছে-
- Sportsandyouth.wb.gov.in
- apas.wb.gov.in
এই সাইট গুলোতে গিয়ে আবেদনকারীরা নিজের প্রয়োজনীয় ফর্ম ডাউনলোড করে সেটি পূরণ করতে পারবে এবং অনলাইনে জমা দিতে পারবে। এক্ষেত্রে আবেদনকারীর অবশ্যই প্রয়োজনীয় নথিপত্র এবং তথ্য ঠিক ভাবে আপলোড করতে হবে। পাশাপাশি সাইটে প্রতিটি বিধানসভার আওতায় কোন জায়গায় শিবির চলছে তা জানার সুযোগ থাকবে।
শিবিরে গেলেও আবেদন করা যাবে প্রতিটি বিধানসভা এলাকায় ২৯৪ টি কেন্দ্রে ১৫ থেকে ২৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলবে। এখানে আবেদনকারীরা সরাসরি ফরম পূরণ করে জমা দিতে পারবে এবং শিবিরের কর্মীরা সাহায্য করবে ফরম পূরণে যদি কারো অসুবিধা থাকে।
| বিষয় | বিস্তারিত তথ্য |
|---|---|
| প্রকল্পের নাম | যুব সাথী প্রকল্প |
| চালু করেছে | পশ্চিমবঙ্গ সরকার |
| উদ্দেশ্য | শিক্ষিত বেকার যুবক-যুবতীদের আর্থিক সহায়তা |
| আর্থিক সহায়তা | মাসে ₹1500 |
| টাকা প্রদানের পদ্ধতি | সরাসরি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে (DBT) |
| আবেদন পদ্ধতি | অনলাইন ও অফলাইন (শিবির) |
| অনলাইন আবেদন সাইট | Sportsandyouth.wb.gov.in, apas.wb.gov.in |
| শিবিরের সংখ্যা | ২৯৪ টি কেন্দ্র |
| শিবিরের তারিখ | ১৫ – ২৬ ফেব্রুয়ারি |
| সহায়তার সময়সীমা | সর্বোচ্চ ৫ বছর |
| চাকরি পেলে | ভাতা বন্ধ হয়ে যাবে |
বিশেষ কর্তৃপক্ষের তরফে জানাচ্ছে, অনলাইনের এই সুযোগ অভ্যন্তরীণ ভাবে আবেদন প্রক্রিয়াটিকে আরো সহজ করবে। যারা শিবিরে গিয়ে লাইনে দাঁড়াতে পারবেন না বা দূরত্বের কারণে পৌঁছতে কষ্ট হয়, তারাও অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। এছাড়া আবেদন প্রক্রিয়ার অগ্রগতি ও স্ট্যাটাস অনলাইনে ট্র্যাক করার সুযোগ মিলবে।
এই প্রকল্পের আরেকটি প্রধান দিক হল এর সময়সীমা। সরকারি নথিতে স্পষ্ট বলা হয়েছে, এই বেকার ভাতা বা আর্থিক সহায়তা সর্বোচ্চ ৫ বছর পর্যন্ত দেয়া হবে অর্থাৎ এক একজন ব্যক্তিকেই প্রকল্পের আওতায় সর্বোচ্চ ৫ বছর ধরা পর্যন্ত আর্থিক সাহায্য পেতে পারবেন। আর যদি পাঁচ বছরের মধ্যে চাকরি পান, তাহলে প্রকৃতপক্ষে ভাতা পাওয়া বন্ধ হয়ে যাবে। এজন্য প্রকল্পটি শুধুমাত্র দায়িত্বপ্রাপ্ত যুবকদের চাকরি বা প্রশিক্ষণ খোঁজার সময় আর্থিক সহায়তা হিসেবে তৈরি করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: সকাল বেলার রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে রাখুন পাঁচটি সহজ অভ্যাস
অফলাইন ও অনলাইন দুটি মাধ্যমে আবেদন করার এই সুবিধা তৈরি করে রাজ্য সরকার মূলত নিশ্চিত করতে চাইছে, যাতে ব্যাপক সংখ্যক যুবক-যুবতী প্রকল্পের আওতায় আসতে পারে। অনলাইনে আবেদন করার সুবিধাটি বিশেষ করে শহর এবং গ্রামীণ উভয় এলাকাতেই যুব সমাজের কাছে সহায়ক ভূমিকা রাখবে বলে মনে করা হচ্ছে।
যুব সাথী প্রকল্পে অনলাইনে আবেদন করা সম্ভব হওয়া এই যুব সমাজের জন্য এটি সুখবর। সরকার চাইছে, খুব সহজে স্বচ্ছ পদ্ধতিতে একাধিক যুবক-যুবতী জাতীয় সুবিধা পেতে পারে সেই লক্ষ্যে অনলাইন এর মাধ্যমে আবেদন করার চালু করা হয়েছে।
Please Visit – trendypavilion.com










