Petrol: গাড়ি চলাচল প্লাস কোথা দিয়ে চলাচলের খরচ প্রতিদিনকার জীবনী বড় একটা প্রভাব ফেলে। এক সাধারন প্রশ্ন বেশিরভাগ গাড়ির ইউজারদের মাথায় আসে পেট্রোল কখন ধরলে সবচেয়ে মান মিলবে? অনেকেই ভেবেই থাকে যে সকালে পেট্রোল ভরলে গুরুত্বপূর্ণ লাভ পাওয়া যায়, কারণ তখন তাপমাত্রা কম থাকে, আর তাই জ্বালানির ঘনত্ব বেশি থাকবে। কিন্তু কিভাবে এই ধারণা ওঠে, এবং বিজ্ঞান ব্যাকআপ দেয় কিনা আসুন সে বিষয়ে যাচাই করা যাক।
প্রথমত, তাপমাত্রা ও জ্বালানির ঘনত্বের কথা বলতে গেলে বিষয়টি স্পষ্ট সাধারণভাবে তরল পদার্থ গরম হলে বাড়ে আর ঠান্ডায় সংকুচিত হয়। তাই তথ্যগতভাবে সকালে ঠান্ডা হওয়ার সময় পেট্রোল একটু ঘন থাকতে পারে। এ থেকে উঠে আসে যে ঠান্ডা জ্বালানির এক লিটার অণুগুলোর সংখ্যা একটু বেশি হতে পারে, অর্থাৎ সেই লিটারে শক্তি বা ভর কিছুটা বেশি।
তবে বাস্তবে লাভটা সেই পরিমাণ চোখে পড়ার মতো নয়। কারণ অধিকাংশ পেট্রল স্টেশনে জ্বালানির বড় বড় ট্যাংক থাকে নির্মাণ উপরে নয়, বরং মাটির নিচে। এই প্রাক রূপে অবস্থিত ট্যাংক তাপমাত্রার ঘন পরিবর্তন সীমিতভাবে অনুভব করে, কারণ মাটির তাপমাত্রা বেশি স্থির থাকে। তাই দিনের তাপমাত্রা পরিবর্তন আর আসল প্রভাব খুব কমই ফুয়েল নিয়ন্ত্রক যন্ত্রণায় পৌঁছে।
যেমন, consumer report এর এক পরীক্ষাই তারা দেখেছে যে দিনের সময় বাহ্যিক তাপমাত্রা যতই বদলাক ,অন্তর্নিহিত ট্যাংকের জ্বালানির তাপমাত্রা প্রায় একই রকম থাকে। আর সেই পরীক্ষা বলেছে, যদিও প্রথম কয়েক লিটার কিছুটা গরম হতে পারে কারণ তা পাম্প লাইনে ছিল, কিন্তু পুরো ট্যাংক যেটা পাম্প হচ্ছে তা বেশি স্থিতিশীল থাকে।
তাছাড়া, মিট ভাঙতে গিয়ে বিশেষজ্ঞরা বলে থাকেন যে তাপমাত্রার কারণে পেট্রোল ভরার সময় যেকোনো লাভ খুব সামান্য। এক দুই লিটারে বা সেন্ট স্তরের পার্থক্য মাত্র। বিশেষত টাকা হিসেবে হিসেব করলে বড় ধরনের সাশ্রয় হিসেবে গোনা যায় না।
আরও পড়ুন: শীতকালে সকালে ঘুম ভাঙতে সমস্যা? এই সহজ কৌশল গুলি মেনে চললেই দিন হবে প্রাণবন্ত
গাড়ি বা বাইকে পেট্রোল ভরবার সময় অনেক বেশি গুরুত্ব দেবেন যদি মূল্য বা পাম্পের সার্ভিস ভালো হয়। যতটা না তাপমাত্রার সময়সূচি নিয়ে চিন্তা করা। অর্থাৎ “সকাল পাঁচটা থেকে সাতটা বা রাতে ভরুন” এই উপদেশ ভালোভাবে শোনাতে পারে, কিন্তু প্রতিদিনের চাহিদায় বা লাভের দৃষ্টিকোণ থেকে এটি বড় পরিবর্তন আনে না।
সুতরাং, যদি আপনি সময় করে ভরা সুযোগ পান, তাহলে সকালে বার রাতে ভড়াও একটি যুক্তিসঙ্গত সিদ্ধান্ত হতে পারে। কিন্তু যদি তা করতে না পারেন, তাহলে চিন্তার দরকার নেই, দিদির যে সময়েই যান লাভের পার্থক্য সাধারনত খুব গুরুত্বপূর্ণ পরিমাণে লাগে না। গাড়ির নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ ভালো ড্রাইভিং অভ্যাস এবং মূল্য তুলনায় মনোযোগ দেওয়া আপনার জ্বালানির খরচ কমাতে আরো কার্যকরী উপায় হবে।











